Click to xXx videos

bdnews লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
bdnews লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৯ মার্চ, ২০২৫

মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

দালাল ছাড়া ঘ‌রে ব‌সেই একদম কম খর‌চে নামজা‌রি কর‌বেন যেভা‌বে

 

দালাল ছাড়া ঘ‌রে ব‌সেই একদম কম খর‌চে নামজা‌রি কর‌বেন যেভা‌বে : A to Z তু‌লে  ধরা হ‌লো

✅ জমি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য : নামজারি প্রক্রিয়া ও খরচ :

নামজারি বা মিউটেশন হলো জমির বর্তমান খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে একটি নতুন খতিয়ান তৈরি করার প্রক্রিয়া। জমি ক্রয়-বিক্রয় বা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি বৈধভাবে নিজের নামে রেকর্ড করতে এটি অপরিহার্য।

✅নামজারি করতে যা যা প্রয়োজন:

নামজারি আবেদন করার জন্য নিচের ডকুমেন্টগুলো জমা দিতে হবে :

1. জমির দলিলের সার্টিফাইড কপি/মূল কপি।

2. এস এ/আর এস খতিয়ানের কপি।

3. ওয়ারিশান সনদের কপি (যদি ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি হয়)।

4. ছবি (জন্মনিবন্ধনের ভিত্তিতে আবেদন করলে)।

5. বায়া দলিলের কপি (যদি প্রয়োজন হয়)।

6. মোবাইল নম্বর।

7. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।

8. কর/খাজনার রশিদ।

✅ নামজারি প্রক্রিয়া:

১ম ধাপ:
mutation.land.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নাগরিক বা কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করুন। আবেদন করার পর একটি কেস নম্বর পাবেন, যা মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।

২য় ধাপ:
আপনার আবেদন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাবে। তদন্তের পর সব ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব পাঠানো হবে।

৩য় ধাপ:
এসিল্যান্ড অফিস থেকে শুনানির তারিখ এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। শুনানির পর ডিসিআর ফি পরিশোধ করে অনলাইনে কিউআর কোডসহ নামজারি কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

✅সময় ও খরচ:
নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সাধারণত ১৫-৩০ দিন সময় লাগে।

মোট খরচ: ১১৭০ টাকা।

✅ তথ্য ও সহায়তা :
নামজারি আবেদন বিষয়ক যেকোনো তথ্যের জন্য কল করুন (০১৬৩৩৭৬০৫৭০)
সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।।
2.সি এস,এস এ,বি এস,আর এস, সহ সকল ধরনের পর্চা স্বল্পমুল্যে লাগলে ইনবক্সে নক দেন।


বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ইউনূস সরকারকে বিএনপির লিখিত বার্তা, করা হলো সতর্ক | BNP | Dr. Yunus | In...


অতঃপর ওবায়দুল কাদেরের বাড়িতে ছাত্র জনতার হামলা | Obaidul Quader's Hous...

বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪

খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন চীনের রাষ্ট্রদূত ওয়েন

সূত্র: BNP BD
গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার বাসভবন ফিরোজায় সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় রাষ্ট্রদূতের পতাকাবাহী গাড়ি বাসভবনে প্রবেশ করে। বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের পর আলতাফ বলেন, চীনের রাষ্ট্রদূত, ডেপুটি চিফ অব মিশন, পলিটিক্যাল অ্যাটাশে এবং দূতাবাসের আরেক কর্মকর্তা খালেদা জিয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তিনি আরও বলেন, “তারা বেশ কিছুক্ষণ অবস্থান করেন এবং বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। তারা ভবিষ্যত সম্পর্ক জোরদার করার জন্য তাদের দৃষ্টিভঙ্গিও ভাগ করেছে।" বিএনপি নেতা আরও বলেন, “রাষ্ট্রদূত স্নেহের সাথে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশ-চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের পথপ্রদর্শক হিসেবে স্মরণ করেন। তারা বেগম খালেদা জিয়ার আমলে ‘লুক ইস্ট পলিসি’ নিয়েও কথা বলেছেন। চীনের রাষ্ট্রদূত বিএনপি চেয়ারপারসনকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা সহায়তার প্রস্তাব দেন। জাহিদ বলেন, রাষ্ট্রদূত ২০১৬ সালে সাবেক মন্ত্রী ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন এবং তাকে কমিউনিস্ট পার্টির শুভেচ্ছা জানান। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নির্বাহী আদেশে খালেদাকে মুক্তি দেওয়া হয়। এরপর থেকে বেশ কয়েকজন বিদেশি কূটনীতিক তাকে তার বাসভবনে দেখতে এসেছেন। ৫ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে, ২৫ নভেম্বর সৌদি রাষ্ট্রদূত ইসা বিন ইউসেফ আল-দুহাইলান এবং ৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

শনিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৪

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ইতিহাস।

 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর যুব অঙ্গসংগঠন।[] জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠার সাথে সাথে ১৯৭৮ সালের ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল নামে বিএনপির যুব সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক আবুল কাশেম যিনি পরবর্তীতে সভাপতি এবং সাইফুর রহমান প্রথম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

প্রতিষ্ঠার পর ১৯৮৭ সালের ২৩ মার্চ দ্বিতীয়, ১৯৯৩ সালের ৮ অক্টোবর তৃতীয়, ২০০২ সালে চতুর্থ, ২০১০ সালের ১ মার্চ পঞ্চম এবং ২০১৭ সালের ৩ জানুয়ারি সংগঠনটির সর্বশেষ ষষ্ঠ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।[] বর্তমানে সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও নুরুল ইসলাম নয়ন সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।[] যুবদলের প্রধান কার্যালয় নতুন পল্টন, ঢাকায় অবস্থিত।

নেতৃত্ব

১৯৭৮ সালে আবুল কাশেমকে আহ্বায়ক করে যুবদলের কমিটি গঠন করা হয়। এর পর আবুল কাশেমকে সভাপতি ও সাইফুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি গঠন করা হয়।

১৯৮৭ সালের ২৩ মার্চ যুব্দলের কাউন্সিলে সভাপতি নির্বাচিত হন মির্জা আব্বাস ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

১৯৯৩ সালের ৮ অক্টোবর কাউন্সিলে তারা আবারো নির্বাচিত হন।

২০০২ সালে যুবদলের কাউন্সিলে বরকত উল্লাহ বুলু সভাপতি ও সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

২০১০ সালের ১ মার্চ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও সাইফুল আলম নীরব যথাক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হন।

২০২৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি, সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না, সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুন হাসান, সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম নয়ন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিল্টন ও ২ নম্বর যুগ্ম সম্পাদক গোলাম মওলা শাহিন এর কমিটি অনুমোদিত হয়।

২০২৪ সালের ৯ জুলাই বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি ও নুরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পদায়ন করা হয়।

এ ছাড়া রেজাউল করিম পলকে সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বিল্লাল হোসেন তারেককে ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কামরুজ্জামান জুয়েলকে সাংগঠনিক সম্পাদক, নুরুল ইসলাম সোহেলকে দফতর সম্পাদক করা হয়েছে।[]


রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৪

টাংগাইলের কালিহাতী উপজেলাধীন পৌজান গ্রামে এক ভয়াবহ ডাকাতি, গৃহকর্তীর শ্বাসনালী কর্তন।

 

টাংগাইলের কালিহাতী উপজেলাধীন পৌজান গ্রামের কৃতি সন্তান, বাংলাদেশ টোকাই নাট্যদলের প্রতিষ্ঠাতা, বহু অভিনেতা তৈরির কারিগর ও বিশিষ্ট অভিনেতা এবং পরিচালক Mahadi Hasan Saju এর বাসায় ২০/১০/২০২৪ তারিখ (শনিবার দিবাগত) রাত ১টার দিকে নিজ বাড়িতে এক দূরদর্শ ডাকাতি হয়, সেসময় ডাকাতেরা তার স্ত্রীর শ্বাসনালী কেটে দেয়। উনার স্ত্রী এখন হাসপাতালে মৃত্যু শয্যা অবস্থায় আছেন।


মেহেদী হাসান সাজুর ফেসবুক আইডি https://www.facebook.com/Sajumahadi?mibextid=ZbWKwL

ছিনতাই/ডাকাতি বেড়ে যাওয়া অবশ্যই চিন্তার বিষয়, তবে তার চাইতেও চিন্তার বিষয় তার পোস্টে বিপরীত মতাদর্শের মানুষদের কমেন্ট! একেকটা কমেন্টের শ্রী দেখলে যে কোনো বিবেক বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ লজ্জা পেতে বাধ্য! সাজু মেহেদী তার ফেসবুক প্রফাইল প্রোফাইল পিকচার লাল করেছিলেন, গণঅভ্যুত্থানের মাঠ পর্যায়ের কর্মী ছিলেন এই হচ্ছে তার অপরাধ! একজন ব্যক্তির বাসায় ডাকাত পড়েছে, তার সহধর্মিণী হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন... কোথায় লোকজন তার কি লাগবে না লাগবে সেটা দেখবে, নিদেনপক্ষে সান্ত্বনা দিবে... কিন্তু না, কিছু লোককে দেখলাম তাকে খুঁচিয়ে মজা পাচ্ছে! 

আমরা কালিহাতী বাসী এই নৃশংস ডাকাতি ককর্মকাণ্ডের নিরোসন চাই, যেনো এই সাজু মেহেদীর মতো ২য় কেউ দূরদর্শ নৃশংস ডাকাতির কবলে না পড়ে। 

মূল পোস্টের লিঙ্ক কমেন্টে দেয়া হলো।